পাসপোর্ট সম্পর্কিত সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর
বাংলাদেশ ই-পাসপোর্ট ও MRP পাসপোর্ট সম্পর্কিত সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের বিস্তারিত উত্তর এখানে পাবেন। আবেদন থেকে শুরু করে ডেলিভারি পর্যন্ত সকল বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা নিন।
নিচের যেকোনো প্রশ্নে ক্লিক করুন বিস্তারিত উত্তর দেখতে। পাসপোর্ট সংক্রান্ত আপনার প্রশ্নটি এখানে না থাকলে passport.gov.bd বা হেল্পলাইন ১৬৪৬৭ নম্বরে যোগাযোগ করুন।
পাসপোর্টের জন্য আবেদন কীভাবে করব?
বাংলাদেশে পাসপোর্টের জন্য অনলাইনে এবং অফলাইনে (সরাসরি অফিসে) উভয়ভাবেই আবেদন করা যায়। তবে অনলাইনে আবেদন করা সবচেয়ে সহজ ও দ্রুত।
অনলাইনে আবেদনের ধাপ:
- www.passport.gov.bd ওয়েবসাইটে যান
- "Apply Online" অপশনে ক্লিক করুন
- জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) নম্বর দিয়ে অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন
- অনলাইন ফর্ম সঠিকভাবে পূরণ করুন
- সোনালী ব্যাংক বা অনলাইনে ফি পরিশোধ করুন
- নিকটতম পাসপোর্ট অফিসে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন
- নির্ধারিত দিনে কাগজপত্র নিয়ে অফিসে যান ও বায়োমেট্রিক দিন
পাসপোর্ট আবেদনের জন্য কী কী কাগজপত্র লাগে?
নতুন আবেদনের জন্য (প্রাপ্তবয়স্ক):
- জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) — মূল কপি ও ফটোকপি
- অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ (NID না থাকলে)
- অনলাইনে পূরণকৃত আবেদন ফর্ম (সিস্টেম থেকে প্রিন্ট)
- ব্যাংক চালান (ফি পরিশোধের প্রমাণ)
- সাম্প্রতিক পাসপোর্ট সাইজ ছবি (নিয়ম অনুযায়ী)
পেশাভিত্তিক অতিরিক্ত কাগজ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে):
- সরকারি চাকরিজীবী: NOC ও অফিসিয়াল আইডি
- শিক্ষার্থী: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রত্যয়নপত্র
- ব্যবসায়ী: ট্রেড লাইসেন্স
অনলাইনে আবেদন করতে না পারলে কী করব?
অনলাইনে আবেদনে সমস্যা হলে সরাসরি নিকটতম পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে সাহায্য নিতে পারেন। অনেক পাসপোর্ট অফিসে সহায়তা কেন্দ্র রয়েছে যেখানে কর্মীরা আবেদন সম্পন্ন করতে সাহায্য করেন।
এছাড়া হেল্পলাইন ১৬৪৬৭ নম্বরে ফোন করে সহায়তা নিতে পারেন। জেলা পর্যায়ের পাসপোর্ট অফিসে ম্যানুয়াল ফর্মও পাওয়া যায়।
একটি পরিবারের সবাই কি একসাথে আবেদন করতে পারে?
হ্যাঁ, পরিবারের সদস্যরা একসাথে আবেদন করতে পারেন, তবে প্রত্যেকের জন্য আলাদাভাবে আবেদন করতে হবে। প্রত্যেক সদস্যের নিজস্ব NID, আলাদা ফর্ম ও আলাদা ফি পরিশোধ প্রয়োজন।
একই পরিবারের একাধিক সদস্যের জন্য একই দিনে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়া সম্ভব — একই সময়স্লট বুক করলে একসাথে প্রক্রিয়া করা যায়।
পাসপোর্ট অফিসে কোন কোন নথির মূল কপি নিয়ে যেতে হবে?
পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার সময় অবশ্যই নিচের মূল কপিগুলো নিয়ে যাবেন:
- জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) মূল কপি
- অনলাইন আবেদনের প্রিন্টকৃত সামারি শিট
- ব্যাংক পেমেন্ট চালান বা অনলাইন পেমেন্ট রিসিট
- অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লিপ
- পূর্ববর্তী পাসপোর্ট (নবায়নের ক্ষেত্রে)
পাসপোর্টের ফি কত এবং কোথায় দেওয়া যায়?
| পাতা | সাধারণ (২১ দিন) | জরুরি (৭ দিন) | সুপার জরুরি (২ দিন) |
|---|---|---|---|
| ৪৮ পাতা (৫ বছর) | ৳ ৩,৪৫০ | ৳ ৫,৭৫০ | ৳ ৮,৬৫০ |
| ৬৪ পাতা (১০ বছর) | ৳ ৫,৭৫০ | ৳ ৮,০৫০ | ৳ ১০,৩৫০ |
ফি পরিশোধ করা যায়:
- সোনালী ব্যাংকের যেকোনো শাখায়
- অনলাইনে — ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড
- মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ, নগদ, রকেট)
ফি পরিশোধের পর কি ফেরত পাওয়া যায়?
সাধারণত পাসপোর্ট ফি অফেরতযোগ্য। একবার ফি পরিশোধ করলে এবং আবেদন বাতিল করলেও টাকা ফেরত পাওয়া যায় না। তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে (যেমন: সিস্টেম ত্রুটিতে দ্বৈত পেমেন্ট) পাসপোর্ট অফিসে যোগাযোগ করে সমাধান পাওয়া সম্ভব।
অনলাইনে পেমেন্ট করলে কি অতিরিক্ত চার্জ লাগে?
অনলাইনে পেমেন্টে সাধারণত ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিস চার্জ প্রযোজ্য হতে পারে, যা সংশ্লিষ্ট পেমেন্ট গেটওয়ের নিয়ম অনুযায়ী ভিন্ন হয়। সোনালী ব্যাংকের শাখায় সরাসরি পেমেন্ট করলে সাধারণত কোনো অতিরিক্ত চার্জ নেই।
পাসপোর্ট পেতে কত দিন সময় লাগে?
পাসপোর্ট ডেলিভারির সময় নির্ভর করে আপনি কোন ক্যাটাগরিতে আবেদন করেছেন তার উপর:
- সাধারণ: ২১ কার্যদিবস
- জরুরি: ৭ কার্যদিবস
- সুপার জরুরি: ২ কার্যদিবস
পুলিশ ভেরিফিকেশনে বিলম্ব হলে এই সময় আরও বাড়তে পারে। সার্বিকভাবে অভিজ্ঞতা বলছে সাধারণ আবেদনে ৩-৫ সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।
পাসপোর্ট কি হোম ডেলিভারি পাওয়া যায়?
বাংলাদেশে বর্তমানে পাসপোর্ট হোম ডেলিভারির ব্যবস্থা সরকারিভাবে চালু নেই। আবেদনকারীকে সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিস থেকে সরাসরি পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে হবে। অথবা কোনো বিশ্বস্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে সংগ্রহ করা যেতে পারে (সেক্ষেত্রে অনুমোদনপত্র প্রয়োজন হতে পারে)।
পাসপোর্ট প্রস্তুত হলে কীভাবে জানব?
পাসপোর্ট প্রস্তুত হলে SMS-এর মাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়। এছাড়া:
- www.passport.gov.bd তে Application ID দিয়ে স্ট্যাটাস চেক করুন
- SMS পাঠান: PASSPORT<আবেদন নম্বর> → 01999-666000
- হেল্পলাইন ১৬৪৬৭ নম্বরে ফোন করে জানুন
পাসপোর্টের ছবির মাপ কত হওয়া উচিত?
পাসপোর্টের জন্য নির্ধারিত ছবির মাপ হলো ৩৫mm × ৪৫mm। ছবির মুখ স্পষ্ট ও সম্পূর্ণভাবে দৃশ্যমান হতে হবে।
- ব্যাকগ্রাউন্ড: সম্পূর্ণ সাদা
- ছবির মান: উচ্চমানের রঙিন ছবি
- মুখের ভাব: স্বাভাবিক, গম্ভীর (হাসি নয়)
- চোখ: সরাসরি ক্যামেরার দিকে খোলা
- মাথা: সোজা, সামান্য কাত নয়
পাসপোর্টের ছবিতে চশমা পরা যাবে কি?
না। পাসপোর্টের ছবিতে কোনো ধরনের চশমা পরা যাবে না — সাধারণ চশমা বা সানগ্লাস উভয়ই। বায়োমেট্রিক ও পরিচয় যাচাইয়ের সুবিধার্থে এই নিয়ম কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়।
হিজাব পরে কি পাসপোর্টের ছবি তোলা যাবে?
হ্যাঁ, ধর্মীয় পোশাক হিসেবে হিজাব পরে ছবি তোলা গ্রহণযোগ্য। তবে মুখমণ্ডল (কপাল থেকে চিবুক পর্যন্ত) সম্পূর্ণরূপে দৃশ্যমান থাকতে হবে। মুখের কোনো অংশ ঢাকা থাকলে ছবি প্রত্যাখ্যাত হবে।
পুলিশ ভেরিফিকেশন কী এবং কেন প্রয়োজন?
পাসপোর্ট আবেদনকারীর পরিচয় ও নিরাপত্তা যাচাইয়ের জন্য স্থানীয় পুলিশ বিভাগ কর্তৃক পরিচালিত তদন্ত প্রক্রিয়াকে পুলিশ ভেরিফিকেশন বলা হয়। এটি বাংলাদেশ সরকারের পাসপোর্ট প্রদান নীতিমালার বাধ্যতামূলক অংশ।
ভেরিফিকেশনের উদ্দেশ্য হলো নিশ্চিত করা যে আবেদনকারী:
- প্রদত্ত ঠিকানায় বসবাস করেন
- কোনো অপরাধমূলক কার্যক্রমে জড়িত নন
- রাষ্ট্রবিরোধী কোনো তৎপরতায় সম্পৃক্ত নন
পুলিশ ভেরিফিকেশন কতদিনে সম্পন্ন হয়?
সাধারণত পুলিশ ভেরিফিকেশন ৭ থেকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন হয়। তবে ব্যস্ত মৌসুমে বা প্রত্যন্ত এলাকায় এটি আরও বেশি সময় নিতে পারে।
ভেরিফিকেশন দ্রুত সম্পন্ন করতে:
- সঠিক বর্তমান ঠিকানা দিন
- প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আগে থেকে প্রস্তুত রাখুন
- পুলিশ এলে সহযোগিতা করুন
পুলিশ ভেরিফিকেশনে কী কী সমস্যা হতে পারে?
পুলিশ ভেরিফিকেশনে যে সমস্যাগুলো সাধারণত দেখা যায়:
- ঠিকানা মেলে না: NID-এর ঠিকানা ও বর্তমান ঠিকানা ভিন্ন হলে সমস্যা হতে পারে
- প্রতিবেশী না পাওয়া: দিনের বেলা বাড়িতে কেউ না থাকলে বিলম্ব হতে পারে
- কাগজপত্রের অসঙ্গতি: নামের বানান বা তারিখে গরমিল থাকলে
পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে কী করব?
পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে অবিলম্বে নিচের পদক্ষেপ নিন:
- থানায় জিডি করুন: নিকটতম থানায় হারানো পাসপোর্টের জিডি (General Diary) করুন এবং একটি কপি সংগ্রহ করুন
- পাসপোর্ট অফিসে জানান: সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিসকে হারানোর বিষয়ে অবহিত করুন
- নতুন আবেদন করুন: জিডির কপিসহ নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করুন
হারানো পাসপোর্টের ক্ষেত্রে ফি দ্বিগুণ (৬,৯০০ টাকা থেকে) হয়।
বিদেশে থাকা অবস্থায় পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে?
বিদেশে পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে:
- স্থানীয় পুলিশে রিপোর্ট করুন ও পুলিশ রিপোর্টের কপি নিন
- নিকটতম বাংলাদেশ দূতাবাস বা কনস্যুলেটে যোগাযোগ করুন
- জরুরি ট্রাভেল ডকুমেন্ট (ETD) বা নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করুন
- প্রয়োজনে পরিবারকে দেশ থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠাতে বলুন
পাসপোর্ট নষ্ট বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে কী করব?
পাসপোর্ট ক্ষতিগ্রস্ত হলে (ভেজা, পোড়া, পাতা ছিঁড়ে যাওয়া, তথ্য অস্পষ্ট হওয়া ইত্যাদি) নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে হবে। এক্ষেত্রে:
- পুরনো (ক্ষতিগ্রস্ত) পাসপোর্ট জমা দিতে হবে
- ক্ষতির কারণ সম্পর্কে একটি ব্যাখ্যাপত্র দিতে পারেন
- স্বাভাবিক নবায়ন ফি প্রযোজ্য হবে (হারানো হিসেবে নয়)
শিশুর পাসপোর্টের জন্য কী কী কাগজপত্র লাগে?
১৮ বছরের কম বয়সী শিশুর পাসপোর্টের জন্য:
- শিশুর অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ (মূল কপি ও ফটোকপি)
- বাবা ও মায়ের NID (উভয়ের)
- বাবা ও মায়ের পাসপোর্ট (যদি থাকে)
- শিশুর ছবি (৩৫mm × ৪৫mm, সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড)
- অভিভাবকের সম্মতিপত্র (৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য)
শিশুর পাসপোর্টের মেয়াদ কত বছর?
১৮ বছরের কম বয়সী শিশুর পাসপোর্টের মেয়াদ ৫ বছর। এক্ষেত্রে ১০ বছরের মেয়াদ নেওয়ার সুযোগ নেই।
শিশু ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার পর নতুন করে প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে হবে।
বাবা-মা ছাড়া শিশুর পাসপোর্ট আবেদন করা যাবে কি?
শিশুর পাসপোর্টের জন্য সাধারণত বাবা বা মায়ের উপস্থিতি প্রয়োজন। উভয়ই অনুপস্থিত থাকলে আইনগত অভিভাবক আবেদন করতে পারেন — সেক্ষেত্রে আদালতের আদেশ বা নিযুক্তি সনদ লাগবে।
পাসপোর্ট মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই কি নবায়ন করা যায়?
হ্যাঁ, পাসপোর্ট মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেও নবায়ন করা যায়। সাধারণত মেয়াদ শেষের ৬ মাস আগে থেকে নবায়নের আবেদন করা উচিত, বিশেষ করে যদি শীঘ্রই বিদেশ ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকে। কারণ অনেক দেশে প্রবেশের জন্য পাসপোর্টে ন্যূনতম ৬ মাসের মেয়াদ থাকা জরুরি।
MRP থেকে ই-পাসপোর্টে পরিবর্তন করতে হবে কি?
বর্তমানে MRP (Machine Readable Passport) ব্যবহারকারীরা তাদের পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরে বা তার আগেও স্বেচ্ছায় ই-পাসপোর্টে পরিবর্তন করতে পারেন। ই-পাসপোর্টে উন্নত নিরাপত্তা ও বায়োমেট্রিক চিপ রয়েছে যা অনেক দেশে ভিসা প্রাপ্তি সহজ করে।
MRP থেকে ই-পাসপোর্টে পরিবর্তনের প্রক্রিয়া নতুন আবেদনের মতোই।
নামের বানান বা তথ্য পরিবর্তন করতে পাসপোর্ট নবায়ন করতে হবে কি?
হ্যাঁ, নামের বানান, জন্মতারিখ বা অন্য তথ্যে সংশোধন করতে হলে নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে হবে। এক্ষেত্রে:
- সংশোধিত NID বা জন্ম সনদ জমা দিতে হবে
- আদালতের হলফনামা (সংশোধনের ধরন অনুযায়ী) লাগতে পারে
- পুরনো পাসপোর্ট জমা দিতে হবে
বিদেশ থেকে কি পাসপোর্ট নবায়ন করা যায়?
হ্যাঁ, বিদেশে অবস্থানকালীন বাংলাদেশ দূতাবাস বা হাই কমিশনের মাধ্যমে পাসপোর্ট নবায়ন করা যায়। এক্ষেত্রে:
- সংশ্লিষ্ট দূতাবাসে সশরীরে যোগাযোগ করুন
- দূতাবাসের নির্ধারিত ফি পরিশোধ করুন (দেশের তুলনায় বেশি হতে পারে)
- প্রয়োজনীয় কাগজপত্র (NID কপি, পুরনো পাসপোর্ট ইত্যাদি) নিয়ে যান
পাসপোর্টে পাতা শেষ হলে কী করব?
পাসপোর্টের সব পাতা ভিসায় ভরে গেলে নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে হবে (মেয়াদ থাকলেও)। বাংলাদেশে "পাতা যোগ করার" কোনো ব্যবস্থা নেই।
তবে পুরনো ভিসাগুলো যদি বৈধ থাকে, নতুন পাসপোর্টে ভ্রমণের সময় পুরনো পাসপোর্টও সাথে রাখুন।